০৬:৪৫ PM
ঢাকা
হোমে ফিরে যান

১৭ বছরের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় তারেক রহমান: আগামীকাল ব্যালট বিপ্লবের পূর্বাভাস

admin

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে গত দেড় যুগ ধরে যে নামটিকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা, সমালোচনা এবং কৌতুহল ছিল, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন, অসংখ্য মামলা, রাজনৈতিক চাপ এবং নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি আজ বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনে তার দলের বিপুল জনপ্রিয়তায় ক্ষমতায় আসার বিষয়টি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সংগ্রামের দীর্ঘ পথচলা ২০০৭ সালের /১১-এর পটপরিবর্তনের পর থেকে শুরু হয় তারেক রহমানের এক কঠিন সংগ্রামী জীবন। দেশের মাটিতে মামলা, কারাবরণ এবং পরবর্তীতে লন্ডনে নির্বাসিত জীবন—সব মিলিয়ে গত ১৭টি বছর ছিল তার জন্য অগ্নিপরীক্ষার মতো। কিন্তু হাজার মাইল দূরে থেকেও তিনি হাল ছাড়েননি। প্রযুক্তির সহায়তায় দলকে তৃণমূল থেকে সুসংগঠিত করেছেন, নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রেখেছেন এবং প্রতিটি রাজনৈতিক সংকট ধীরস্থিরভাবে মোকাবিলা করেছেন।

তার এই দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল হিসেবেই আগামীকাল দেশের মানুষ তাকে এবং তার দল বিএনপিকে ব্যালট পেপারে বিপুল সমর্থন জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দেশজুড়ে ধানের শীষের গণজোয়ার আগামীকালের নির্বাচনকে সামনে রেখে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ধানের শীষের পক্ষে এক অভূতপূর্ব গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জনসমর্থনের এই চিত্র প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ গত ১৭ বছরের বঞ্চনার জবাব দিতে প্রস্তুত। রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, তারেক রহমানের ‘দেশনায়ক’ হয়ে ওঠার পেছনে তার ধৈর্য এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এবং ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ স্লোগান এই নির্বাচনে বড় ব্যবধান গড়ে দেবে।

আগামীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রত্যাশা জরিপ এবং মাঠ পর্যায়ের তথ্য বলছে, আগামীকালের নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা জোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। আর এই বিজয়ের মাধ্যমেই তারেক রহমান বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে দেশের হাল ধরবেন—এমনটাই প্রত্যাশা কোটি জনতার।

দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, “তারেক রহমান প্রমাণ করেছেন, নিপীড়ন করে জনসমর্থন দমানো যায় না। ১৭ বছরের চড়াই-উতরাই পার করে তিনি এখন আরও পরিপক্ব এবং অভিজ্ঞ। আগামীর বাংলাদেশ তার নেতৃত্বেই ঘুরে দাঁড়াবে।”

আগামীকাল সূর্যোদয়ের সাথে সাথে শুরু হবে ভোটগ্রহণ। আর সূর্যাস্তের পর ফলাফলের মাধ্যমে ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তারেক রহমান হয়তো লিখবেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়।